শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া ‘শুরু’, যে প্রক্রিয়ায় বিনামূল্যে যাবেন ১০ হাজার কর্মী

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

সিএন প্রতিবেদন: মালয়েশিয়ায় নতুন করে কর্মী পাঠাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, এখন থেকে নিবন্ধিত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে আগ্রহী কর্মীরা মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রসেসিং সম্পন্ন করতে পারবেন। একই সঙ্গে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করানো যাবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণে বিশেষ উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার মানদণ্ড ও সমঝোতা স্মারক বহাল রেখে এজেন্সির অংশগ্রহণ বাড়ানোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি ‘বোয়েসেল’সহ মোট ২৫টি সংস্থাকে প্রসেসিং Agency হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এর পাশাপাশি আরও ৩১২টি বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই এজেন্সিগুলো নিজ উদ্যোগে নিয়োগকর্তা খোঁজা, চাহিদাপত্র সংগ্রহ এবং কর্মী নির্বাচন থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারবে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। এটিকে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতের জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন হবে:

১. অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিজ উদ্যোগে মালয়েশিয়া থেকে চাহিদাপত্র সংগ্রহ করবে।

২. দেশীয় আইন ও বিধি মেনে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি তাদের কর্মী নির্বাচন করবে।

৩. কলিং ভিসা, ই-ভিসাসহ অন্যান্য প্রশাসনিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বোয়েসেল ও তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি সহায়তা দেবে।

৪. চূড়ান্ত ধাপে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে গমন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

এ ছাড়া কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমানে মালয়েশিয়ার ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর মাধ্যমে পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ প্রতিনিধিদলের সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তালিকায় নতুন মেডিকেল সেন্টার যুক্ত করা হবে।

সরকার জানিয়েছে, কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় যথাসম্ভব সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও স্বচ্ছ রাখাই এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন