সিএন প্রতিবেদন: নিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জোহরান মামদানি। নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ জরিপে দেখা গেছে, চার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মামদানি পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ ভোটারের সমর্থন।
জরিপে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোর সমর্থন ২৪ শতাংশ, রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া পেয়েছেন ১৫ শতাংশ এবং বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের সমর্থন নেমেছে মাত্র ৯ শতাংশে।
সেপ্টেম্বরের ২ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত পরিচালিত এ জরিপে ১ হাজার ২৮৪ সম্ভাব্য ভোটারের মতামত নেওয়া হয়। ফলাফলে স্পষ্ট, তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত ভোটারদের মধ্যেই মামদানির সমর্থন সবচেয়ে বেশি।
জরিপে উঠে এসেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল মামদানি ও কুমোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হলে ব্যবধান কিছুটা কমতে পারে। সে ক্ষেত্রে মামদানি পেতেন ৪৮ শতাংশ এবং কুমো ৪৪ শতাংশ ভোট।
ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন সবচেয়ে বড় ইস্যু। এসব সমাধানে মামদানিকেই সবচেয়ে কার্যকর মনে করেন অধিকাংশ ভোটার। তার প্রস্তাবিত ভাড়াবৃদ্ধি স্থগিতের পরিকল্পনা সমর্থন করেছেন প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ।
অন্যদিকে, কুমো নিজের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার দিক তুলে ধরছেন। ৫ হাজার নতুন পুলিশ সদস্য নিয়োগের তার প্রস্তাব অনেক ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের জনপ্রিয়তা একেবারেই নিচে। একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তার সমর্থন নেমে এসেছে ১০ শতাংশের নিচে। রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া সততা ও জনসেবার জন্য প্রশংসিত হলেও নিউইয়র্কের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তার জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, মামদানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো অভিজ্ঞতার অভাব এবং উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা। অনেক সমর্থকই মনে করেন, তিনি সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবেন না।
তবু, সাবেক গভর্নর কুমোর প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা, অ্যাডামসের বিতর্কিত মেয়াদকাল এবং মামদানির অপ্রত্যাশিত উত্থান—সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আগ্রহ এখন তুঙ্গে।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন