বর্তমানের চলমান অর্থনৈতিক সংকট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আকস্মিক হামলার মুখে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠান ইরানি জনগণকে আবারও এক সুতোয় বাঁধতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতেও এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছে দেশটির প্রশাসন।
সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি এই অনুষ্ঠানকে ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এক বড় বার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্বের দুটি সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরক্ষার মূল রূপকার ছিলেন যিনি, আজ তাকে এই বিশাল ও অভূতপূর্ব বিদায় জানানো হচ্ছে।
আসলানি আরও উল্লেখ করেন, এমন এক সময়ে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ইরান একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এক জটিল আলোচনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ওপর যুদ্ধের কালো ছায়াও বিরাজ করছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে এই স্মরণসভা ও শোকের আবহ পুরো দেশকে অভ্যন্তরীণভাবে ‘আরও একবার ঐক্যবদ্ধ’ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন