দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে ৯০০-এর বেশি মানুষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার ( ৩১ জুলাই ) দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবারের এসব কর্মসূচির বেশিরভাগই শান্তিপূর্ণ থাকলেও কয়েকটি এলাকায় সহিংসতা, লুটপাট ও গুলির ঘটনা ঘটে।
পুলিশের উপ-জাতীয় কমিশনার টেবেলো মোসিকিলি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশজুড়ে মোট ১২০টি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১০৮টি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও ১২টিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
তিনি বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দেশে অবস্থান, জনসাধারণের মধ্যে সহিংসতা সৃষ্টি, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশের পৃথক এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার গভীর রাতে জোহানেসবার্গের আলেকজান্দ্রা টাউনশিপে বিদেশি নাগরিকদের মালিকানাধীন ছোট দোকান, যা স্থানীয়ভাবে ‘স্পাজা শপ’ নামে পরিচিত, সেগুলোতে লুটপাটের সময় গুলিতে একজন নিহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির নয়টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জোহানেসবার্গের অভ্যন্তরীণ শহরাঞ্চল হিলব্রো এলাকায় সেনা সদস্যও মোতায়েন করা হয়। সেখানে গুলির ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, বন্দরনগরী ডারবানে এক বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর আগের রাতে নিজেকে হামলার লক্ষ্যবস্তু মনে করে তিনি একটি বহুতল ভবনের অষ্টম তলা থেকে লাফ দেন এবং এতে তার মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবারের বিক্ষোভের আয়োজন করা হয় একটি অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের নির্ধারিত ‘ডেডলাইন’ উপলক্ষে। ওই আন্দোলন অবৈধভাবে অবস্থানরত অভিবাসীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে দেশটিতে অভিবাসীবিরোধী উত্তেজনা বাড়ছে।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন