ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান ও জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।। রোববার (২৩ আগস্ট) দিনব্যাপী ফোর্ট হান্ট পার্কে এ আয়োজন করে বাংলাদেশি-আমেরিকান আইটি পিপলস অর্গানাইজেশন, বাইটপো। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ মেজবান অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান, গ্লোবাল ক্লাইমেট অ্যাক্টিভিস্ট ও সিপিএ রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনেটর সাদ্দাম আজলান সেলিম; ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক; মন মাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সোশ্যাল ওয়ার্কের ডিন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোশ্যাল ওয়ার্কসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. গোলাম এম. মাতব্বর; কাইফ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ড. ফাইজুল ইসলাম এবং ই-লার্নিংয়ের পথিকৃৎ, চট্টগ্রামের খান বাড়ির সন্তান অধ্যাপক ড. বদরুল হুদা খান।

আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী ও বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্র নকীব খান। গান পরিবেশনের জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটন ডিসিতে আসেন তিনি। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী প্রতীক হাসান।
অধ্যাপক ড. বদরুল হুদা খানের রচনায় উদ্বোধনী সংগীত ‘চল মেজ্জানে’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয়। এতে অংশ নেন বাইটপোর শিল্পীরা। এরপর একে একে গান পরিবেশন করেন মাহবুব হোসেন অরুণ, আদিল রহমান, শোয়েব রহমান, ডেভিড গোরস্কি ও সীমা খান। নৃত্য পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পী সুদীতি সরকার ও অদিতি সরকার। ফ্যাশন শোতে অংশ নেন সারা, দিশা ও স্মিতা দম্পতি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন কচি খান।
অনুষ্ঠান সফল করতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন দীন খালেদ, শরীফ আহমেদ, তানভীর আজিজ, স্বপন ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার জাহানারা ভূঁইয়া, কাজী আক্তার বাঁধন, মো. কাজল, সারা গোরস্কি, মিষ্টি সরকার, শুভ্র সরকার, খুরশীদ সাব্বির, কচি খান, মোহাম্মদ নাইম উদ্দীন অভি, সাইফুল্লাহ খালেদ, এম. এ. করিম, মোহাম্মদ মোল্লা, মামুন মোতালিব, মো. হাসান, কামাল, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ মিয়া সারওয়ার, আবদুল কোরেশী, হারুনুর রশীদ, শফিক মোল্লাহ ও স্যাম রিয়া।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি আয়োজন করা হয় রেফেল ড্র। এতে তিনজন ভাগ্যবান বিজয়ী যথাক্রমে ডায়মন্ড রিং, টেলিভিশন ও ল্যাপটপ জিতে নেন।
আয়োজকরা জানান, মেজবান শুধু একটি খাবারের আয়োজন নয়; এটি চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রবাসের মাটিতে এমন আয়োজনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে বাংলা গান ও সংস্কৃতির চর্চাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াও ছিল এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।


চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন