বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শক্ত অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেওয়া স্বাগতিকরা এখন গ্রুপসেরা হওয়ার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সিয়াটলের দর্শকভরা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রকে।
সেই চাপের ফলও আসে দ্রুত। ম্যাচের ১১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুতগতির এক আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বিপাকে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ। ফোলারিন বালোগুনের বিপজ্জনক ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস। আত্মঘাতী সেই গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
প্রথম গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি যুক্তরাষ্ট্র। বিরতির ঠিক আগে আবারও অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাঙন ধরায় তারা। কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। প্রথমে সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দিলে গোল বাতিল হয়। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত বদলে যায় এবং গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে প্রথমার্ধ শেষ হয় যুক্তরাষ্ট্রের দুই গোলের লিড নিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার লক্ষ্যে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পোপোভিচ। কিন্তু তাতে কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ বেশির ভাগ সময় নিজেদের কাছেই রাখে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়া মাঝে মধ্যে আক্রমণে উঠলেও সেগুলো স্বাগতিকদের রক্ষণে বড় কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি করতে পারেনি।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শক্ত অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেওয়া স্বাগতিকরা এখন গ্রুপসেরা হওয়ার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সিয়াটলের দর্শকভরা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রকে।
সেই চাপের ফলও আসে দ্রুত। ম্যাচের ১১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুতগতির এক আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বিপাকে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ। ফোলারিন বালোগুনের বিপজ্জনক ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস। আত্মঘাতী সেই গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
প্রথম গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি যুক্তরাষ্ট্র। বিরতির ঠিক আগে আবারও অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাঙন ধরায় তারা। কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। প্রথমে সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দিলে গোল বাতিল হয়। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত বদলে যায় এবং গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে প্রথমার্ধ শেষ হয় যুক্তরাষ্ট্রের দুই গোলের লিড নিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার লক্ষ্যে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পোপোভিচ। কিন্তু তাতে কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ বেশির ভাগ সময় নিজেদের কাছেই রাখে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ট্রেলিয়া মাঝে মধ্যে আক্রমণে উঠলেও সেগুলো স্বাগতিকদের রক্ষণে বড় কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি করতে পারেনি।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন