মঙ্গলবার, ২৫ আগষ্ট ২০২৬

শিরোনাম

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ‘লোকদেখানো’: মার্কিন সিনেটর

মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির সিনেটর ক্রিস মারফি। তার দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের বড় মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে এই চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ট্রেজারি বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানান, তেল খাতসহ ইরানের সব আয়ের উৎস বন্ধ করে দেওয়া এবং অন্যান্য দেশ ও কোম্পানিগুলোকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করা থেকে বিরত রাখাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন অর্থমন্ত্রীর এ ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মারফি বলেন, ‘ডি-ডে’ আসলে হতাশাজনক একটি ‘লোকদেখানো’ পদক্ষেপ। ইরান যুদ্ধে জিতছে, ট্রাম্প হারছেন এবং এর জন্য আমেরিকানদের বড় মূল্য দিতে হচ্ছে।

একাধিক পোস্টে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার কয়েকটি কারণ তুলে ধরেন। তার মতে, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা অর্জিত হয়নি।

একই সঙ্গে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর গোলাবারুদসহ বিভিন্ন যুদ্ধসরঞ্জামের মজুতও কমে গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন পোস্টে।

মারফি আরও বলেন, ‘মূল কথা হলো, ট্রাম্প সামরিক অভিযান হেরেছেন। এখন এই অপমানজনক পরাজয় আড়াল করতে তিনি অর্থনৈতিক চাপের নামে এমন একটি ব্যবস্থা দেখাচ্ছেন, যাতে মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।’

তার দাবি, যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং দুঃখজনকভাবে ইরানই এতে জয়ী হয়েছে। নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোকে তিনি কেবল ‘লোকদেখানো পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন